শিশুদের সুন্দর নাম রাখুন

বাংলা উইকিপিডিয়ায় শিশুর সংজ্ঞা এভাবে দেয়া আছে শিশু বা ইংরেজিতে ‘চাইল্ড’ হচ্ছে ভূমিষ্ঠকালীন ব্যক্তির প্রাথমিক রূপ। যে এখনো যৌবনপ্রাপ্ত হয়নি। কিংবা বয়ঃসন্ধিক্ষণে পৌঁছেনি। সে শিশু হিসেবে সমাজ এবং রাষ্ট্রে পরিচিত হবে। সাধারণত ১৫ বছরের নিচে অবস্থানকারীদের শিশু বলা হয়। জীববিজ্ঞানের ভাষায়Ñ ‘মনুষ্য সন্তানের জন্ম এবং বয়ঃসন্ধির মধ্যবর্তী পর্যায়ের রূপই হচ্ছে শিশু।’ চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়Ñ ‘মায়ের মাতৃগর্ভে ভ্রƒণ আকারে অভূমিষ্ঠ সন্তানই শিশু।’ সুতরাং আমরা বলতে পারি, যারা অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং বুদ্ধি-বিবেচনার কোনো জ্ঞান রাখে না তারাই শিশু।
Continue reading শিশুদের সুন্দর নাম রাখুন

হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

শরিয়াতের বিধান প্রণয়নে ইসলামের সর্বপ্রথম মৌলনীতি হচ্ছে আল্লাহ্তা’আলা মানুষের জন্য যত জিনিসই সৃষ্টি করেছেন, তা সবই হালাল ও মুবাহ্। শরিয়াতের বিধান রচয়িতার অকাট্য, সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত ঘোষণায় যদি কোনোটিকে ‘হারাম’ বলে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে তবে কেবল সেটিই হারাম। কিন্তু কোনো বিষয়ে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি সুস্পষ্টভাবে কোনো জিনিসের হারাম হওয়ার কথা নিঃসন্দেহে জানা না যায়, তাহলে তার তার মৌল অবস্থা- মুবাহ্হওয়ার অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে। তাকে হারাম বলা যাবে না। কোনো যয়িফ হাদিস এক্ষেত্রে দলিল হিসেবে গ্রহণীয় হতে পারে না।

Continue reading হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

ইসলামী শরিয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবনপদ্ধতি, যা সব দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে, এসব দিকের মধ্যে গুণাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এ দিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকিদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী করিম সা: ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিজি)

Continue reading কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

কোরবানির মাসয়ালা

কোরবানি ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। কুরআন ও হাদিসে এর ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। মিশকাত শরিফের হাদিসে বর্ণিত আছে, একদা হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম রা: রাসূলে করিম সা:-এর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সা:, কোরবানি কী? উত্তরে রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করলেন, কোরবানি হচ্ছে তোমাদের আদি পিতা হজরত ইবরাহিম আ:-এর জীবনাদর্শ। সাহাবি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, কোরবানির ফজিলত কী? রাসূল সা: বললেন, পশুর পশমের পরিবর্তে একেকটি করে নেকি দেয়া হয় (মিশকাত শরিফ : ১/১২৯)।

Continue reading কোরবানির মাসয়ালা

হজ পালনে যা জানা জরুরি

জীবনে একবার হজ করা ফরজ আর তাও সচ্ছল সুস্থ ব্যক্তির জন্য। এ কারণে হজের নিয়ম ও মাসয়ালাগুলোকে জটিল মনে হয়। একজন সাধারণ মুসল্লির কাছে সূরা ‘কাফিরুন’কে সূরা ফাতিহার চেয়ে কঠিন মনে হয় এ কারণে যে, সূরা কাফিরুন সব নামাজে পড়তে হয় না বা পড়াও হয় না। আবার নামাজের মাসয়ালা বেশ কঠিন ও বিস্তৃত হওয়ার পরেও অব্যাহত প্রচেষ্টা ও দিনে পাঁচবার অনুশীলনের কারণে মাদরাসায় শিক্ষিত নয় এমন একজন স্বল্পশিক্ষিত সাধারণ নামাজিরও তা আয়ত্তে এসে যায়। কিন্তু হজের বিষয়টি ভিন্ন। যে স্বল্পসংখ্যক লোকের ওপর হজ ফরজ হয়, তাদের অনেকেই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং বয়সের শেষভাগে হজের প্রাক্কালে এ চিন্তাভাবনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তা ছাড়া তারা যে বইগুলো পড়েন এবং যাদের সাহায্য নেন সেখানে তারা ব্যাপক আলোচনা ও বিবিধ নতুন আরবি পরিভাষার সম্মুখীন হন।

Continue reading হজ পালনে যা জানা জরুরি

হজের অবসরে

hajj

পবিত্র মক্কা-মদিনায় এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেগুলোর এক দিকে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব, অন্য দিকে সেগুলোর সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য নবী রাসূলের মহান স্মৃতি। পবিত্র কুরআনের মর্মবাণী উপলব্ধি ও ইতিহাসকে নিখুঁতভাবে বোঝার জন্য এসব জায়গায় ভ্রমণ খুবই উপযোগী। তবে মনে রাখতে হবে, এ ভ্রমণ হজের কোনো আহকাম নয়।

Continue reading হজের অবসরে