অপচয়কারীকে আল্লাহ অপছন্দ করেন

আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, ‘খাও, পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সূরা আরাফ : ৩১)
ইবনে আব্বাস রা: বলেন, আল্লাহ তায়ালা পানাহারকে হালাল সাব্যস্ত করেছেন, যে পর্যন্ত না তার মধ্যে অপব্যয়, অহঙ্কার ও আত্মম্ভরিতা না হয়। Continue reading অপচয়কারীকে আল্লাহ অপছন্দ করেন

হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

শরিয়াতের বিধান প্রণয়নে ইসলামের সর্বপ্রথম মৌলনীতি হচ্ছে আল্লাহ্তা’আলা মানুষের জন্য যত জিনিসই সৃষ্টি করেছেন, তা সবই হালাল ও মুবাহ্। শরিয়াতের বিধান রচয়িতার অকাট্য, সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত ঘোষণায় যদি কোনোটিকে ‘হারাম’ বলে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে তবে কেবল সেটিই হারাম। কিন্তু কোনো বিষয়ে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি সুস্পষ্টভাবে কোনো জিনিসের হারাম হওয়ার কথা নিঃসন্দেহে জানা না যায়, তাহলে তার তার মৌল অবস্থা- মুবাহ্হওয়ার অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে। তাকে হারাম বলা যাবে না। কোনো যয়িফ হাদিস এক্ষেত্রে দলিল হিসেবে গ্রহণীয় হতে পারে না।

Continue reading হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

ইসলামী শরিয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবনপদ্ধতি, যা সব দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে, এসব দিকের মধ্যে গুণাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এ দিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকিদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী করিম সা: ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিজি)

Continue reading কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

স্রষ্টার অপূর্ব নিদর্শন জমজম কূপ

আরবের মক্কা নগরে অবস্থিত জমজম কূপ মহান স্রষ্টা আল্লাহর রহমতের উৎস ও অন্যতম অপূর্ব নিদর্শন। মুসলিম ইতিবৃত্তে এ কূপটির উৎপত্তি হজরত ইবরাহিম আ: এবং তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও পুত্র ইসমাঈল আ:-এর জীবন কাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম পবিত্রময় একটি কূপ। কাবাগৃহের ফজিলতের সাথে জমজম কূপের মাহাত্ম্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

Continue reading স্রষ্টার অপূর্ব নিদর্শন জমজম কূপ

আজানের সময় মুসলমানদের করণীয়

পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধ্বনির নাম আজান—এটি মুসলিম-অমুসলিম-নির্বিশেষে কোটি মানুষের উপলব্ধি। তা হবে না কেন? এ আজান তো সৃষ্টির প্রতি মহান সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তার আহ্বান। একজন মানুষকে যখন তার মহান মালিকের প্রতি আহ্বান করা হয়, তার উপলব্ধি তখন কেমন হতে পারে? তাই আজানের আওয়াজ শুধু মুসলমানের অন্তরেই নাড়া দেয় না, বরং তা অমুসলিমের অন্তরকেও আকর্ষণ করে। যুগে যুগে যার অজস্র উদাহরণ রয়েছে। হ্যাঁ, হিংসুক ও নিন্দুকের কথা ভিন্ন। আল্লাহর ভাষায়, ‘যার অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন, সে (হেদায়েতের) আলো থেকে বঞ্চিত হবেই। ’

Continue reading আজানের সময় মুসলমানদের করণীয়

ইসলামে অভিবাদন কী, কেন ও কিভাবে

মহান সৃষ্টিকর্তা রাজাধিরাজ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান ইসলামের মহান আদর্শ, নিয়মনীতি সর্বাপেক্ষা উৎকৃষ্ট, সর্বশ্রেষ্ঠ ও শাশ্বত চিরন্তন, যা কখনো হারিয়ে যাওয়ার নয়। সর্বযুগের সব সমস্যার সমাধানে সক্ষম। স্বয়ংসম্পূর্ণ; কোনো সংযোজন, বিয়োজন, সম্প্রসারণ, সঙ্কোচন, পরিবর্তন, পরিমার্জন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। সার্বজনীন; ফলে ওল্ড ভার্সন যেমন নেই, আপডেট ভার্সনও নেই। এটাই ইসলামের মহান অলৌকিকতা ও শাশ্বত চিরন্তন মহাসত্যের পরিচায়ক।

Continue reading ইসলামে অভিবাদন কী, কেন ও কিভাবে