আজানের সময় মুসলমানদের করণীয়

পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধ্বনির নাম আজান—এটি মুসলিম-অমুসলিম-নির্বিশেষে কোটি মানুষের উপলব্ধি। তা হবে না কেন? এ আজান তো সৃষ্টির প্রতি মহান সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তার আহ্বান। একজন মানুষকে যখন তার মহান মালিকের প্রতি আহ্বান করা হয়, তার উপলব্ধি তখন কেমন হতে পারে? তাই আজানের আওয়াজ শুধু মুসলমানের অন্তরেই নাড়া দেয় না, বরং তা অমুসলিমের অন্তরকেও আকর্ষণ করে। যুগে যুগে যার অজস্র উদাহরণ রয়েছে। হ্যাঁ, হিংসুক ও নিন্দুকের কথা ভিন্ন। আল্লাহর ভাষায়, ‘যার অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন, সে (হেদায়েতের) আলো থেকে বঞ্চিত হবেই। ’

Continue reading আজানের সময় মুসলমানদের করণীয়

জুমার দিনের ফজিলত

ইমাম অর্থ নেতা, অগ্রবর্তী ব্যক্তি, পথপ্রদর্শক, গুরু বা পরিচালক। শরিয়তের দৃষ্টিতে প্রাপ্তবয়স্ক সমাজের গ্রহণযোগ্য সম্মানিত সৎ সাহসী ব্যক্তি, যার কুরআন তেলাওয়াত সহি-শুদ্ধ, যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেন ও নামাজের মাসয়ালা-মাসায়েল জানা দ্বীনদার মুত্তাকি, যার কুরআন, সুন্নাহ ও ফিকহের মৌলিক ধারণা আছে ও সমাজকে নেতৃত্ব দানে সক্ষম; তিনিই মুসলিম সমাজের ইমাম হবেন ও মসজিদে নামাজের ইমামতি করবেন।

Continue reading জুমার দিনের ফজিলত

সালাতের মাধ্যমে অর্জন

আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে নামাজ বা সালাতের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ভালো ও দক্ষ শিক্ষককে যেমন পিটিআই, বিএড এবং এমএড প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষকতা জীবনে পেশাদারিত্ব অর্জন করতে হয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকেও প্রতিদিন দৈহিক কসরত করে ফিজিক্যাল ফিটনেসসহ যুদ্ধাস্ত্র চালানোর সব প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে যোগ্য করে নিতে হয়। এমনিভাবে রাষ্ট্রের প্রায় সব বিভাগে সব সেক্টরেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে। এসব প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা তাদের পেশাদারিত্ব দেখিয়ে প্রমোশন নিয়ে থাকেন। কিন্তু যদি এমন হয়, প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে ওই প্রশিক্ষণের কোনো প্রতিফল ঘটল না। অর্থাৎ বিএড বা এমএড ট্রেনিং নিলো কিন্তু শিক্ষকতা করল না, সেনাবাহিনীও যুদ্ধক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় থাকল, আইন পেশায় উচ্চতর ডিগ্রি নিলো, কিন্তু এই ডিগ্রিকে সে কাজে লাগাল না। তাহলে নিশ্চয়ই আপনারা তাকে দক্ষ সেনাকর্মকর্তা বা সেনাসদস্য, দক্ষ শিক্ষক কিংবা দক্ষ আইনজ্ঞ বলতে পারেন না। সালাতের বিষয়টিও ঠিক তেমনি।

Continue reading সালাতের মাধ্যমে অর্জন

নামাজ না পড়ার পরিণাম

prayerঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আমল হলো নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে এটি ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর ফরজ। ইচ্ছাকৃত নামাজ ছেড়ে দেয়া শিরকের পর সবচেয়ে বড় গোনাহ। এমনকি এটি মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ লুণ্ঠন, ব্যভিচার, চুরি ও মদপানের চেয়েও মারাত্মক গোনাহ। যার শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানেই ভোগ করতে হবে (কিতাবুস সালাত, ইবনে কায়য়ুম, পৃ. ১৬)।

Continue reading নামাজ না পড়ার পরিণাম

বিজ্ঞানের আলোকে সালাত

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামাজ কায়েম করা সারা মুসলিম উম্মাহর ওপর ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। ঈমানের পরেই সালাতের স্থান, যা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপরই ফরজ। বলা হয়েছে ‘আস্সালাতু ইমাদ উদ্-দ্বীন’। সালাত হচ্ছে দ্বীনের বা ধর্মের খুঁটি। 

Continue reading বিজ্ঞানের আলোকে সালাত

ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে প্রার্থনা

ধৈর্য মনুষ্যত্বের অন্যতম পরিচায়ক। ভালো গুণাবলির অন্যতম। আরবিতে এর প্রতিশব্দ সবর, যার অর্থ সংযম অবলম্বন করা, নফসের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করা। কুরআনুল কারিমে বারবার আল্লাহ তায়াল ধৈর্যের আদেশ দিয়েছেন। দুঃখ-দুর্দশায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার আদেশ দিয়েছেন। ধৈর্যের মাধ্যমে। ঘোষণা হচ্ছেÑ তোমরা আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করো। ধৈর্য এবং নামাজের মাধ্যমে। (সূরা বাকারা আয়াত : ১৫৩)। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো আয়াতে সাহায্য কামনার জন্য ধৈর্য আর নামাজকে মাধ্যম বানিয়েছেন। শুধু এতটুকু হয় আয়াতে নামাজের আগে ধৈর্যের কথা বলা হয়েছে।

Continue reading ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে প্রার্থনা